1. admin@protidinbd24.com : admin :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
আমাদের ভিষন;
*সত্য প্রকাশে আমরা দূর্বার*
প্রধান খবর
শিক্ষকরা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না; যেসব রুট ধরে পদ্মা সেতু হয়ে ইউরোপে যাবে ট্রেন পদ্মা সেতু: ৩৫ বছরে সরকারের দেওয়া অর্থ পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ; পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে টিকটক ভিডিও তৈরি করা যুবক আটক সর্বনিম্ম ২ ঘন্টা থেকে ২০ ঘণ্টার দুর্ভোগ ৬ মিনিটে শেষ পদ্মা সেতুতে কোনো যানবহন দাড় করিয়ে ছবি তোলা যাবেনা; কুমিল্লা সিটি মেয়র নির্বাচনে হার-জিতের ইতিবৃত্ত; স্বপ্নের পদ্মা সেতু: সূচনা থেকে সর্বশেষ ইতিবৃত্ত তিনিই কি দূর্নীতির বরপুত্র? নাকি হাতির দন্ত! পদ্মা সেতুর টোল সংযোজন করে ভাড়া বাড়লো ১০টাকা; দক্ষিণ বঙ্গের ১৩টি রুটের বাসভাড়া নির্ধারণ; রাসুল (সঃ) কে নিয়ে কটূক্তি করায় বিজেপি নেতা গ্রেপ্তার ২৫তারিখেই উদ্বোধন হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু; পদ্মা সেতু নির্মাণ ব্যয় নিয়ে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর মিথ্যা প্রচারণাগুলোকে নিন্দা জানাই॥ Abc চট্টগ্রাম হাটহাজরীতে সাতবাচ্চার জম্ম দিয়েছেন এক মা; বার কাউন্সিল নির্বাচন: আ.লীগের সাদা প্যানেল ১০ ও বিএনপির নীল প্যানেল ৪ পদে জয়; দূর্নীতি মামলায় নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টি সদস্য কারগারে; ভূমি সংস্কারে নতুন আইন, ব্যক্তি পর্যায়ে ৬০ বিঘা মালিকানার সুযোগ, বেশী হলে বাজেয়াপ্ত। পিকে (প্রশান্ত কুমার) হালদার ইস্যুতে চার সংস্থায় তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুদক। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে চলছে বিশেষ প্রস্তুতি;

প্রয়াত সাংসদের স্ত্রী-ছেলে-মেয়ে জামাতা-ভাগনেও মনোনয়ন চান;

  • মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
  • ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক ;

পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়ক। সড়কের জেলা সদর অংশ শেষ হতেই পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) নির্বাচনী এলাকা। দুই পাশে ঝুলছে বড় বড় বিলবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার। মনোনয়নের প্রত্যাশা করে এসব লটকেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। তবে এর অধিকাংশই দখল করে রেখেছেন এই আসনের প্রয়াত সাংসদ শামসুর রহমান শরীফের পরিবারের সদস্যরা।

পাবনা-৪ আসনে পরপর পাঁচবার সাংসদ নির্বাচিত হন সাংসদ শরীফ। যার ফলে ১৯৯৬ সাল থেকে টানা ২২ বছর আসনটি তাঁরই দখলে ছিল। একই সঙ্গে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ভূমিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক এই দখল ধরে রাখতে মাঠে নেমেছেন শরীফ পরিবারের পাঁচ সদস্য। তবে পরিবারটির হাতে রাজনীতির কর্তৃত্ব আর ছাড়তে রাজি নন আওয়ামী লীগের স্থানীয় অনেক নেতা। ক্ষমতা ছিনিয়ে নিতে আসনটিতে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন আওয়ামী লীগের আরও প্রায় ১৫ নেতা। অন্যদিকে চুপচাপ বসে নেই বিএনপি। আওয়ামী লীগের বহু প্রার্থীর হইচইয়ের মধ্যে হাতছাড়া আসনটি ফিরে পেতে মাঠে নেমেছেন বিএনপির নেতারাও। ফলে নির্বাচন কেন্দ্র করে এখন সরগরম হয়ে উঠেছে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা। বিগত দুই সংসদ নির্বাচন অনেকটা একপক্ষীয় হওয়ায় নির্বাচনী মাঠে তেমন উত্তেজনা ছিল না। তবে এখন রাজনৈতিক আড্ডা থেকে শুরু করে চায়ের দোকানগুলো উপনির্বাচনের আলাপে সরগরম, চায়ের কাপে ঝড়। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা করোনাভাইরাস নিয়ে সচেতনতা, ত্রাণ কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। এত দিনে একটা নির্বাচনের আমেজ পেতে শুরু করেছেন এলাকার মানুষ।

জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাংসদ শামসুর রহমান শরীফ (৮২) গত ২ এপ্রিল ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয়ে দৌড়ঝাঁপ। গতকাল সোমবার থেকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কাছে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে।

শরীফ পরিবারের পাঁচ প্রার্থী

নির্বাচনী আসনটি শূন্য ঘোষণার পরই উপনির্বাচনে মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন শামসুর রহমান শরীফের স্ত্রী ও ঈশ্বরদী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুন নাহার শরীফ। তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশা করে পোস্টার-ব্যানারে ভরে দিয়েছেন নির্বাচনী এলাকা। পাল্টা পোস্টার-ব্যানার টাঙিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন তাঁদের বড় ছেলে ও ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গালিবুর রহমান শরীফ। তবে মাকে আসন ছাড়তে রাজি নন তিনি। অন্যদিকে মা ও ভাইকে টপকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন বড় বোন ও জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মাহজেবিন শিরিন এবং তাঁর স্বামী ঈশ্বরদী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঈশ্বরদী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ। একই দৌড়ে অংশ নিচ্ছেন গালিব ও শিরিনের খালাতো ভাই এবং জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বশির আহম্মেদ।

রাজনৈতিক পদ ও পারিবারিক অবস্থা বিবেচনায় মনোনয়নপ্রত্যাশী এই পাঁচ প্রার্থীর সবাই নিজেদের যোগ্য বলে মনে করেন। প্রচার-প্রচারণায় কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছেন না। তবে আওয়ামী লীগের স্থানীয় কিছু নেতা ছেলে গালিবুর রহমান শরীফকে সমর্থন দিচ্ছেন। কেউবা আবার চাচ্ছেন তাঁদের মাকে।

আওয়ামী লীগে আরও এক ডজন প্রার্থী

শরীফ পরিবারের বাইরে ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও জেলা সদরের আরও প্রায় এক ডজন আওয়ামী লীগ নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও দুদকের সাবেক কমিশনার শাহাবুদ্দিন চুপ্পু, ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এস এম নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিম, পাবনা পৌরসভার মেয়র কামরুল হাসান, আটঘরিয়া পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম, সাবেক সাংসদ পাঞ্জাব আলী বিশ্বাস, ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুজ্জামান বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নায়েব আলী বিশ্বাস এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আইনজীবী রবিউল আলম ও মৎস্যজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল আলিম উল্লেখযোগ্য।

এর বাইরেও আরও অনেকে মনোনয়ন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। অনেকে ত্রাণ বিতরণ, করোনাভাইরাস ঠেকাতে সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। সবার প্রচারণায় সরগরম এই আসন।

মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বলছেন, দলীয় প্রধান তাঁদের বিষয়ে জানেন। তাঁর সিদ্ধান্তে আস্থা রাখবেন সবাই।

বিএনপি ও অন্যরা

উপনির্বাচনের এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ অন্যরাও। দীর্ঘ ২২ বছর আগে হারানো আসনটি ফিরে পেতে নির্বাচনে অংশ নিতে চায় স্থানীয় বিএনপি। দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সাবেক সাংসদ সিরাজুল ইসলাম সরদার। তাঁরাও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

অন্যদিকে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন সাবেক সাংসদ মঞ্জুর রহমান বিশ্বাস, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি হায়দার আলী।

প্রতিদিনবিডি২৪/শাকিল;

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

Categories

© All rights reserved 2020 protidinbd24

কারিগরি সহায়তা WhatHappen