1. admin@protidinbd24.com : admin :
সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
আমাদের ভিষন;
*সত্য প্রকাশে আমরা দূর্বার*
প্রধান খবর
শিক্ষকরা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না; যেসব রুট ধরে পদ্মা সেতু হয়ে ইউরোপে যাবে ট্রেন পদ্মা সেতু: ৩৫ বছরে সরকারের দেওয়া অর্থ পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ; পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে টিকটক ভিডিও তৈরি করা যুবক আটক সর্বনিম্ম ২ ঘন্টা থেকে ২০ ঘণ্টার দুর্ভোগ ৬ মিনিটে শেষ পদ্মা সেতুতে কোনো যানবহন দাড় করিয়ে ছবি তোলা যাবেনা; কুমিল্লা সিটি মেয়র নির্বাচনে হার-জিতের ইতিবৃত্ত; স্বপ্নের পদ্মা সেতু: সূচনা থেকে সর্বশেষ ইতিবৃত্ত তিনিই কি দূর্নীতির বরপুত্র? নাকি হাতির দন্ত! পদ্মা সেতুর টোল সংযোজন করে ভাড়া বাড়লো ১০টাকা; দক্ষিণ বঙ্গের ১৩টি রুটের বাসভাড়া নির্ধারণ; রাসুল (সঃ) কে নিয়ে কটূক্তি করায় বিজেপি নেতা গ্রেপ্তার ২৫তারিখেই উদ্বোধন হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু; পদ্মা সেতু নির্মাণ ব্যয় নিয়ে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর মিথ্যা প্রচারণাগুলোকে নিন্দা জানাই॥ Abc চট্টগ্রাম হাটহাজরীতে সাতবাচ্চার জম্ম দিয়েছেন এক মা; বার কাউন্সিল নির্বাচন: আ.লীগের সাদা প্যানেল ১০ ও বিএনপির নীল প্যানেল ৪ পদে জয়; দূর্নীতি মামলায় নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টি সদস্য কারগারে; ভূমি সংস্কারে নতুন আইন, ব্যক্তি পর্যায়ে ৬০ বিঘা মালিকানার সুযোগ, বেশী হলে বাজেয়াপ্ত। পিকে (প্রশান্ত কুমার) হালদার ইস্যুতে চার সংস্থায় তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুদক। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে চলছে বিশেষ প্রস্তুতি;

শিক্ষা বানিজ্যে কামাল মজুমদার; মনিপুর স্কুলের ৪০হাজার অভিভাবক অসহায় জিম্মি;

  • শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩০১৪ বার পড়া হয়েছে

আবুল কালাম আজাদ;

শিক্ষার প্রতি যিনি কসাই তিনি দেশপ্রেমিক হতে পারেনা। সমাজ সেবা বা দেশাত্মবোধ তার মধ্যে নেই বললেই চলে।

এক সময় কামাল আহমেদ মজুমদার বৃহত্তর মিরপুরে আওয়ামী লীগ কর্মীদের প্রানের নেতা ছিলো। তার সেই জনপ্রিয়তা পুঁজি করে বিগত ১০/১২বছর যাবত তার চরিত্র একজন শোষক হিসাবে আবির্ভুত হয়েছে।

১৯৬৯সালে মনিপুরের বাসিন্দা নুর-মহম্মদ সাহেব নিজস্ব জমি ওয়াফক্ করে প্রতিষ্ঠা করেন মনিপুর স্কুল।তার সহযোগিতায় স্কুল শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও এক সময় দক্ষ প্রধান শিক্ষক সবদার আলী সাহেবের প্রচেষ্টায় মনিপুর স্কুল হয়ে উঠে দেশের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তার ধারাবাহিকতায় অত্র প্রতিষ্ঠানে আজ ৪০হাজার শিক্ষার্থী।

জানা যায় সবদার আলী সাহেবের প্রচেষ্টায় স্কুলটি সরকার এমপিও ভুক্ত করেন। “এমপিও নং ২৬১০ ০৪১৩ ০৩” লেভেল অফ এমপিও সেকেণ্ডারী। যাহা আগষ্ট ২০২০সাল পর্যন্ত বলবত আছে দেখা যায়।
প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী কমিটির ধরন অনুযায়ী সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য সভাপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।সে সুত্র ধরে ১৯৯৬সালে কামাল আহমেদ মজুমদার স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচিত হন।আবার ২০০১সালে এস এ খালেক সাহেব সভাপতি নির্বাচিত হন।কিন্তু ২০০৮ সালে যখন আবার কামাল আহমেদ মজুমদার সংসদ সদস্য হিসাবে সভাপতি নির্বাচিত হন, তখন থেকেই শুরু হয় স্কুলটিকে দখল বা আত্মসাৎ করার পায়তারা।

বর্তমানে কামাল আহমেদ মজুমদার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা দাবী করে ক্ষমতাবলে স্কুলের প্রধান ফটকে প্রতিষ্ঠাতা ফলক ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

স্কুলটিকে নন এমপিও করার জন্য চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের জোড় পূর্বক স্বাক্ষর নিয়েছেন এমপিও প্রত্যাহার করার জন্য।এ বিষয় মামলা রয়েছে মহামান্য্ উচ্চ আদালতে।
মামলা চলাকালীন ও এমপিও বহাল থাকা অবস্থায়ও কামাল আহমেদ মজুমদার স্কুলটিকে ট্রাষ্টি হিসাবে বাস্তবায়ন করতে চায়।স্কুলের সকল কার্যক্রম নন এমপিও হিসেবে চালিয়ে যাচ্ছেন জোড় পুর্বক।স্কুলের ৪০ হাজার অভিভাবক তার অত্যাচারে অতিষ্ট।তার অনাকাঙ্খিত খামখেয়ালী পনা শুধু মাত্র তার অর্থ আদায়ের মানসিকতা।

শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড; অথচ অর্থ লোভে শিক্ষার প্রতি যিনি কসাই তিনি দেশপ্রেমিক হতে পারেনা। সমাজ সেবা বা দেশাত্মবোধ তার মধ্যে নেই বললেই চলে।সর্বশেষ এখন স্কুলটিকে তার নিজস্ব সম্পদীয় স্কুল বলে হুংকার দিয়ে থাকেন।
মন্ত্রীত্বের ক্ষমতায় সে স্কুলের অভিভাবকদের মামলা হামলার ভয় ভিতী দিয়ে চলছেন অবিরত।কিছু ক্যাডার বাহিনী লালন করেন তিনি।

বর্তমানে করোনা কালীন সময় সরকার দেশের মানুষের প্রতি যথেষ্ট সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেও কামাল আহমেদ মজুমদারের মধ্যে কোনো দয়া মায়া নেই।তিনি হুংকার দিয়ে বলেন এ স্কুল আমার।আমি সরকারী সিদ্ধান্ত ইচ্ছা করলে মানতেও পারি, নাও মানতে পারি।যান শিক্ষা মন্ত্রীকে গিয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন।

তিনি মাউসির সিদ্ধান্ত না মেনে বর্তমানে পুনঃভর্তি নিয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য স্কুলের অভিভাবকদের নোটিশ দিয়েছেন।ইংলিশ ভার্ষন ৭৫০০টাকা বাংলা ভার্ষন ৫৩০০টাকা। অসহায় অভিভাবকরা এখন নিরুপায় নির্যাতিত।কভিট-১৯ এ ১০মাসে ১৫০০০টাকা বকেয়া ও পুনঃভর্তি ৫৩০০সহ প্রায় ২১হাজার টাকা চাকরী ও ব্যাবসায় ক্ষতিগ্রস্থ অভিভাবকদের জন্য একটি দূর্বিসহ চাপ ও অসম্ভব বোঝা বটে।অভিভবাকদের মধ্যে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কাঁচা মাল বিক্রেতা, ড্রাইভার, গার্মেন্টস্ অপারেটর শ্রেনীর অভিভাবক রয়েছে।
এক অভিভাবক বলেন আমি ২০বছরে ১লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা উন্নয়ন ফি দিয়েছি রসিদের মাধ্যমে। এভাবে ৪০হাজার অভিভাবক ২০বছরে ৬শত ৫৬ কোটি টাকা শুধু উন্নয়ন ফি দিয়েছি।এর সাথে টিউশন ফি সহ অন্যান্য ফি যাহা দিয়েছে তার হিসাবতো আলাদা।

তাছাড়া তার একদল দালাল আছে তারা বিভিন্ন ভাবে ঘুষের বিনিময় ভর্তি বানিজ্য করে।

এই স্কুল ভবন করতে কত টাকা খরচ হয়েছে ?? আমাদের ডোনেশনের টাকায় স্কুল তার নিজস্ব সম্পদ হয় কিভাবে??
প্রতিবছর স্কুল ভবন গুলিতে কোনো রং করা না হলেও রংয়ের টেণ্ডার ঠিকই হয়। বিভিন্ন মেরামত টেণ্ডার করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় ।শিক্ষকদের ছাটাই ও নিয়োগ বানিজ্য হয় প্রতিবছর।

এক অভিভাবকের ফেসবুক থেকে নেয়াঃ তিনি বলেন;
প্রতি বছর নানা অছিলায় সেশন ফি/পুণঃভর্তি ফি বাবদ মোটা অংকের টাকা নেয়া হলেও তাদের শোকর নেই। ফরহাদ সাহেব ও কামাল মজুমদার সাহেব আসলে টাকা কিভাবে হাতিয়ে নিবেন তার ব্যাখা দিলেন। সরকার বর্তমান পরিস্হিতিতে পুণঃভর্তি ফি সহ অন্যান্য ফি নিতে নিষেধ করলেও জানুয়ারীর বেতনের বাইরে টাকা ধরলো কেন? তাদের সে অধিকার নেই। কামাল মজুমদার সাহেব আইনগত ভাবে গভর্ণিং বডির কিছু না হলেও তিনিই সকল কিছুর নিয়ন্ত্রণকারী।স্কুল বন্ধ।ক্লাশ অনলাইনে কিছু হলেও বাচ্চারা ওতে আগ্রহ নেই।বেতন এক পয়সাও কম নেয়নি।বেশীরভাগ শিক্ষককে অর্ধেক বেতন দিয়েছে। আধুনিক ও উন্নয়নের নামে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া নেই বললেই চলে।অভিজ্ঞ ও পুরোনো শিক্ষকদের চাটাই করে অনভিজ্ঞ ও মানহীন শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে।বাচ্চাদের লেখাপড়া সব কোচিং ও প্রাইভেট টিউটর কেন্দ্রিক।স্কুলের নাম ছাড়া খুব একটা ভুমিকা নেই।বেশীরভাগ অভিভাবক মনিপুর স্কুলকে এখন আর ভাল স্কুল মনে করেননা।এদের অবৈধ বেতন ফি থেকে বাচতে বাচ্চা নিয়ে যেতে পারলেই বাঁচেন।

প্রতিদিনবিডি২৪/সাইকা

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

Categories

© All rights reserved 2020 protidinbd24

কারিগরি সহায়তা WhatHappen