1. admin@protidinbd24.com : admin :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
আমাদের ভিষন;
*সত্য প্রকাশে আমরা দূর্বার*
প্রধান খবর
শিক্ষকরা নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং বা প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না; যেসব রুট ধরে পদ্মা সেতু হয়ে ইউরোপে যাবে ট্রেন পদ্মা সেতু: ৩৫ বছরে সরকারের দেওয়া অর্থ পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ; পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে টিকটক ভিডিও তৈরি করা যুবক আটক সর্বনিম্ম ২ ঘন্টা থেকে ২০ ঘণ্টার দুর্ভোগ ৬ মিনিটে শেষ পদ্মা সেতুতে কোনো যানবহন দাড় করিয়ে ছবি তোলা যাবেনা; কুমিল্লা সিটি মেয়র নির্বাচনে হার-জিতের ইতিবৃত্ত; স্বপ্নের পদ্মা সেতু: সূচনা থেকে সর্বশেষ ইতিবৃত্ত তিনিই কি দূর্নীতির বরপুত্র? নাকি হাতির দন্ত! পদ্মা সেতুর টোল সংযোজন করে ভাড়া বাড়লো ১০টাকা; দক্ষিণ বঙ্গের ১৩টি রুটের বাসভাড়া নির্ধারণ; রাসুল (সঃ) কে নিয়ে কটূক্তি করায় বিজেপি নেতা গ্রেপ্তার ২৫তারিখেই উদ্বোধন হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু; পদ্মা সেতু নির্মাণ ব্যয় নিয়ে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর মিথ্যা প্রচারণাগুলোকে নিন্দা জানাই॥ Abc চট্টগ্রাম হাটহাজরীতে সাতবাচ্চার জম্ম দিয়েছেন এক মা; বার কাউন্সিল নির্বাচন: আ.লীগের সাদা প্যানেল ১০ ও বিএনপির নীল প্যানেল ৪ পদে জয়; দূর্নীতি মামলায় নর্থ সাউথের ৪ ট্রাস্টি সদস্য কারগারে; ভূমি সংস্কারে নতুন আইন, ব্যক্তি পর্যায়ে ৬০ বিঘা মালিকানার সুযোগ, বেশী হলে বাজেয়াপ্ত। পিকে (প্রশান্ত কুমার) হালদার ইস্যুতে চার সংস্থায় তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুদক। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে চলছে বিশেষ প্রস্তুতি;

কাক শত্রুর চেহারা ৫বছর পর্যন্ত মনে রাখতে পারে! এমনকি দলের অন্য কাকদেরও চিনিয়ে রাখে শত্রুর চেহারা;

  • রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৩০ বার পড়া হয়েছে

কোনো কাজ করার আগে আমরা যেমন পরিকল্পনা করি, তেমনভাবে কাকও পরিকল্পনা করে থাকে। যেহেতু কাক খুব চতুর এবং সুযোগ সন্ধানী, তাই কাকের ‘চোর’ হিসেবে বদনাম আছে। কাক এই বদনাম লুকানোর চেষ্টাও করে না। মজার ব্যাপার হলো, কাক প্রায়ই গর্ত করে খাবার লুকিয়ে রাখে। আরেকদিকে চোখ রাখে, অন্য কাক এই লুকানোর ব্যাপারটি দেখে ফেলল কি না! যখন দেখে অন্য কাক দেখে ফেলেছে, তখন সে গর্তে খাবার লুকানোর ভান করে।

আসলে সে খাবারটি নিয়ে দ্রুতগতিতে উড়ে গিয়ে অন্য কোথাও গর্ত করে রাখে। কিন্তু যে কাকটি এই লুকানোর ঘটনা দেখেছিলো সে-ও আড়াল থেকে কাকটিকে অনুসরণ করে এবং লুকানোর আসল জায়গা দেখে ফেলে। কিন্তু এরা দুজনই জানে এরপর দ্বিতীয় কাকটি গর্ত থেকে খাবার নিলে প্রথম কাকটিও আড়াল থেকে তাকে লক্ষ্য রাখবে। এভাবে তাদের মধ্যে ক্রমাগত চোর-পুলিশের খেলা চলতেই থাকে।

কখন কী খাবার খাবে, কোথায় খাবার পাবে, সে তার সঙ্গীকে খাবার থেকে কতটুকু দিবে এগুলো সে আগেই পরিকল্পনা করে রাখে। কাক সুযোগসন্ধানী প্রাণী। এদের মধ্যে চৌর্যবৃত্তির অভ্যাস আছে এবং অধিকাংশই বেশ পরিকল্পিত চুরির ঘটনা। এমনকি একই দলের অন্যান্য সদস্যরা কোন পরিস্থিতিতে কেমন আচরণ করছে তা দেখে নিজের স্বভাব-চরিত্র ঠিক রাখার পরিকল্পনাও করে এরা। আপনার এলাকার ময়লা ওয়ালাদের আসার সময়, ময়লা ফেলার স্থান, তাদের চলাচলের রাস্তা আপনার না-ও জানা থাকতে পারে। কিন্তু কাকেরা সবসময় জানে ময়লা কখন কোনদিক দিয়ে, কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর কাকেরা সেখান থেকে তাদের পছন্দমতো জিনিসগুলো বেছে নেয়।

মস্তিষ্কের স্মৃতিধারণ ক্ষমতা ;

একটি কাকের দিকে যত সময় নিয়েই তাকিয়ে থাকেন না কেন, পরে অন্য কাক থেকে সেই কাককে আপনি ঠিক আলাদা করতে পারবেন না। তবে সেই কাকটি কিন্তু ঠিকই অন্য মানুষ থেকে আপনাকে আলাদা করে চিনতে পারবে। এটা আন্দাজে বলা কথা না। ওয়াশিংটনের সিয়াটলে গবেষকরা কাকদের পর্যবেক্ষণ করে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন। তারা ৭টি কাককে নিয়ে এই পরীক্ষা চালান। কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৭টি কাক ধরে চিহ্নিত করে ছেড়ে দেন। এ সময় গবেষকরা মুখোশ পরেছিলেন।

পর্যবেক্ষণের বিষয় ছিল, কাকেরা মানুষের মুখ মনে রাখতে পারে কি না। দেখা গেছে, কাক যে শুধু মুখ মনে রাখতে পারে তা নয়, বরং কাক কারো বিরুদ্ধে ক্ষোভ পুষে রাখতে সক্ষম। তাই কখনো কোনো কাককে ভুলেও আঘাত করবেন না। কারণ বেঁচে থাকলে এরা শত্রুর চেহারা ৫বছর পর্যন্ত মনে রাখতে পারে! এমনকি দলের অন্য কাকদেরও চিনিয়ে রাখে আঘাতকারীর চেহারা। গবেষকরা যখন মুখোশ পরিহিত অবস্থায় ক্যাম্পাসে বের হয়েছেন, তখন কাকেরা তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আক্রমণ করেছে। কেবল ৭টি কাকই নয়, ক্যাম্পাসের প্রায় সব কাক তাদের উপর আক্রমণ শুরু করে। কিন্তু যে কাকদের গবেষণাগারে আটকানো হয়নি তারা কীভাবে মুখোশ চিনতে পারলো? গবেষকরা ধারণা করেছেন যে, মুখোশের কথা সেই ৭ কাক তাদের বাকি সঙ্গীদের জানিয়েছে।

কাক কেবল কা কা ধ্বনির মাধ্যমে ডাকাডাকিই করে না। একে অন্যের সাথে যোগাযোগও করে থাকে। অবাক করার ব্যাপার হলো, কাকেদের শুধু ভাষাই নয়, আছে অঞ্চলভেদে আলাদা আলাদা উচ্চারণ রুপ। কাকেরা শুধু দৃষ্টিসীমার জিনিসকেই শনাক্ত করতে পারে তা নয়, বরং তারা বিস্তারিত সহ মনে রাখতে পারে। মুখোশ গুলোকে চিনে নিয়েছিল ৭টি কাক এবং সেই মুখোশ গুলোর বর্ণনা তাদের দলের অন্য কাকদের জানিয়ে দেয়। তাই যেসব কাকেরা মুখোশ দেখতে পায়নি তারা সেই ৭টি কাক থেকে বর্ণনা শুনে মুখোশ গুলোর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সচেতন ছিল। তা তাদের হামলার ব্যাপার থেকেই বোঝা যায়। তাছাড়া কোথায় কোন চারণভূমি আছে তা তারা হুবহু মনে রাখতে পারে। কাকদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করার ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যম রয়েছে;

কাক বিতর্ক

একটি কাক অন্য কাকের সাথে কথা বলে এবং তারা নির্দিষ্ট বস্তুকে আক্রমণ করার ব্যাপারে শলাপরামর্শ করে থাকে। তাদের এই কর্কশ কথোপকথনকে বিজ্ঞানীরা ‘কাক বিতর্ক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন।

প্রতিদিনবিডি২৪/একে আজাদ;

ভালো লাগলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর

Categories

© All rights reserved 2020 protidinbd24

কারিগরি সহায়তা WhatHappen